Top News

গোপালগঞ্জে সংঘাতের ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট, নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন।

https://www.profitableratecpm.com/fttps://www.profitableratecpm.com/f3757ws7?key=7e39fc65ae6b869dd50698c0ecda57ac গোপালগঞ্জে সংঘাতের ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট, নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন।

গোপালগঞ্জে কারফিউ চলাকালে শহরে সেনাবাহিনীর টহল। গতকাল বেলা পৌনে ১১টায় গোপালগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায়।

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রায় হামলার প্রস্তুতি চলছিল কয়েক দিন ধরেই। এ জন্য জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আগে থেকেই এসে গোপালগঞ্জ শহরে অলিগলিতে অবস্থান নেন। এনসিপির এই কর্মসূচি ঘিরে কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গত এক সপ্তাহের গোপালগঞ্জের ঘটনাপ্রবাহ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৎপরতা বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে সংঘাতের ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট। এনসিপির সমাবেশ ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা ও সহিংসতায় জড়াবেন—স্থানীয়ভাবেও এমন আশঙ্কা করা হচ্ছিল। এনসিপির স্থানীয় নেতাদের পক্ষ থেকেও এমন আশঙ্কার কথা জেলা পুলিশকে জানানো হয়। এরপরও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারেনি। 

গত বুধবারের হামলার পর ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ১৮ জনের সঙ্গে গতকাল বৃহস্পতিবার কথা বলেছে প্রথম আলো। সেখান থেকে এই হামলার বিষয়ে একটি চিত্র পাওয়া গেছে। তাঁরা বলছেন, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতারা কয়েক দিন ধরেই এনসিপির কর্মসূচি ঠেকাতে কাজ করছিলেন। এ জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীদের গোপালগঞ্জ শহরে জড়ো করেন তাঁরা। পাশাপাশি গাছ কেটে সড়কে ফেলে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরিরও পরিকল্পনা করেন তাঁরা।

Post a Comment

Previous Post Next Post